একজন পুরুষকে পাগল করতে নারীরা যে সকল অঙ্গভঙ্গি করে থাকে।

একজন পুরুষকে পাগল করতে নারীরা যে সকল অঙ্গভঙ্গি করে থাকে।




প্রতিটি পুরুষই নারীর রূপের পূজারি। প্রতিটি পুরুষই চায় তার সঙ্গী অর্থাৎ ভালোলাগার মানুষটি অবশ্যই স্মার্ট এবং আকর্ষণী হবে এবং তাকে আকৃষ্ট করবে। আর নারীর কিছু আলাদা গুন আছে। যা একজন পুরুষকে তার দিকে আকৃষ্ট করার জন্য যথেষ্ট। সেই গোপন বিষয়গুলি একবার ঝালিয়ে নিতে পারেন।



ধর্মীয় বিশ্বাস থাকা:
একজন নারী একজন পুরুষের তুলনায়  কতটা ধার্মিক এবং নারীটি ধর্মীয় অনুভুতি সম্পর্কে কতটা আস্থাশীল  তার উপর একজন পুরুষের ওই নারীর প্রতি ভালোলাগার মাত্রা নির্ভর করেঅধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায় পুরুষ যখন জীবন সঙ্গী খোজে তার ভেতর সুন্দর মেয়ের পাশাপাশি এক প্রকারের ধার্মীক মেয়ের খোজ করে।

সুগন্ধী ব্যবহার করা:
মহিলাদের শরীরের মিষ্টি সুগন্ধ একজন পুরুষের আকৃষ্টতায় নেশা ধরায় কিন্তু এটি বাধ্যতামুলন নয় যে, নারীকে কোন একটি পারফিউম ব্যবহার করতে হবেই নারীর women শরীরে প্রাকৃতিকভাবে যে গন্ধ থাকে, তা একধরনের প্রাকৃতিক অস্ত্রযা দ্বারা পুরুষটিকে তারদিকে প্রাকৃতিক ভাবেই টেনে নেই।

আত্মবিশ্বাসি হওয়া:
একজন পুরুষকে আকৃষ্ট করতে একজন নারীর আত্মবিশ্বাসের বিকল্প নেই যে নারী তার সৌন্দর্য্য এবং ব্যাক্তিত্ব নিয়ে যতো বেশি আত্মবিশ্বাসী  থাকে পুরুষ তাকে ততটা বেশি পছন্দ করে

হাস্যোজ্জলতা থাকা:
সদা হাস্যোজ্জল নারীকে পুরুষ পছন্দের শীর্ষে রাখে গোমড়ামুখো নারীকে পুরুষের প্রধানত অপছন্দ করেপ্রতিটি পুরুষই চায় তার সঙ্গীটি যেন সদা হাসি-খুশি থাকে।

সামান্য পিঠ খোলা রাখা:
কথাটা শুনতে বিশ্রী শুনাচ্ছে?  আসলে পুরুষ বেশিরভাগ সময় নারীর পিঠ সামান্য খোলা অবস্থায় দেখতে পছন্দ করে কিন্তু অবশ্যই কাপড় থাকতে হবে পিঠের কটি হাড্ডির উপর পর্যন্তএকজন নারী যখন তার পিঠের কিছু অংশ খুলে রাখে এবং পুরুষটির সামনে ঘোরাফেরা করে তখন পুরুষের মনে নারীর প্রতি এক প্রকারের অর্দিশ্য ভালোলাগা সৃষ্টি হয়।

।  মাঝে মধ্যে সঙ্গীর নাম ধরে ডাকা:
কিছু কিছু পুরুষ তাদের স্ত্রীর মুখে তাদের নাম শুনতে চান বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রী যখন একান্ত একা থাকে, স্ত্রী স্বামীর কানে ফিসফিস করে তার নাম উচ্চারন করে কথা বলা, তার কাছে কিছু আদুরে আব্দার করা, সহ  অনেক কিছু যা একজন পুরুষের জন্য আনন্দদায়ক বিষয় হয়ে ওঠে ঐ সময়

।  বক্রাকার কোমর:
একজন পুরুষ কিছু কিছু সময় নারীর কোমরের খাঁজ তথা কার্ভ দেখতে পছন্দ করে  নারীর শরীল যদি একটু বাঁকা না হয় তাহলে পুরুষের কাছে তা একটু বিরক্তিকর মনে হয়। নিতম্ব শরীরের সঙ্গে মানানসই হওয়া সৌন্দর্য্যের অন্যতম একটি আনুষাঙ্গিকতাপ্রতিটি পুরুষই চাঁয় যে তার সঙ্গীনির শরীর একটু আকষনীয় হবেনা তা কি হয়।

।  পরিপাটি জামা-কাপড় পরা:
প্রত্যেক পুরুষই নারীর পরিপাটি সাজের আশিক তবে তা অবশ্যই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য মানের হতে হবেনারী যদি সাজগোজ না করে অপরিস্কার হয়ে থাকে তাহলে তাকে পুরুষ পছন্দ করে না। পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি হয়ে সুন্দর আকষণীয় পোষাক পরা নারীকে পুরুষ বেশি পছন্দ করে।

গরমে পায়ের পাতা জ্বলাপোড়ালে কি করবেন?

গরমে পায়ের পাতা জ্বলাপোড়ালে কি করবেন?



১. ভিটামিন বি-এর উপাদান যেমন- থায়ামিন (বি-১), পাইরোডোক্রিন (বি-৬), সায়ানোকোবালামিন (বি-১২), নিকোটানিক এসিড ও রাউবোফ্ল্যাভিনের অভাবে পা জ্বালা এবং ব্যথা করে। 

২. পরিবর্তিত বিপাকীয় ও হরমোনের সমস্যা (ডায়াবেটিস, হাইপোথাইরোডিসম)। 

৩. কিডনি ফেইলুর (হিমোডায়ালাইসিস রোগী)। 

৪. যকৃৎ (লিভার) ফাংশন খারাপ। 

৫. কেমোথেরাপি। 

৬. দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত মদপান। 

৭. ইলফিটিং বা ডিফেক্টিভ জুতা পরিধান। 

৮. অ্যালার্জিজনিত কাপড় ও মোজা ব্যবহার করা। 

৯. বংশানুক্রমিক অসঙ্গত স্নায়ু পদ্ধতি। 

১০. স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ (ইনট্রাপমেন্ট) ও সংকোচন (কমপ্রেশন)। 

১১. মানসিক পীড়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিও এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হন।



করণীয়/প্রতিকার : চিকিৎসার শুরু করার পূর্বেই রোগীর শারীরিক ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে যে,  চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ থেকে মুক্ত হওয়া যায়। সুপরিমাপের খোলা ও আরামদায়ক জুতা পরিধান করতে হবে এবং জুতা ব্যবহারের পাশাপাশি আরামদায়ক সুতার মোজা ব্যবহার করা উত্তম। পায়ের আর্চ সাপোর্ট, ইনসোল ও হিল প্যাড ব্যবহারে উপসর্গ লাঘব হবে।



পায়ের পেশির ব্যায়াম ও ঠাণ্ডা পানির (বরফ না) সেঁক উপসর্গ নিরাময়ে অনেক উপকারী। রোগ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন যুক্ত খাবার সেবন করতে হবে এবং চিকিৎসায় ভিটামিন ইনজেকশন পুশ করতে হবে। মদপান ও ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রিত রাখতে হবে। স্নায়ু ইনজুরি, অবরুদ্ধ ও সংকোচন হলে যথোপযুক্ত চিকিৎসা গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। বার্নিং ফুট সিনড্রোম থেকে সুস্থ থাকতে হলে সবাইকে চিকিৎসার চেয়ে প্রতিরোধে সচেষ্ট থাকতে হবে।

What you need to do to prevent breast cancer.

What you need to do to prevent breast cancer.


মেয়েদের একটি প্রাণহারী রোগ স্তন ক্যান্সার। আমাদের দেশের নারীর মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণের মধ্যে একটি স্তন ক্যান্সার। বিশ্বব্যাপী মেয়েদের যত ক্যান্সার হয় তার ২৩ ভাগই স্তন ক্যান্সার। প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২২ হাজার নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে ৭০ ভাগই মারা যায়।




স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য

কিন্তু এ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেই যে মৃত্যু নিশ্চিত, তা কিন্তু নয়। এ ক্যান্সারে বেঁচে যাওয়ার হার প্রায় ৮৫ ভাগ। আমাদের দেশে এ ক্যান্সার দেরিতে নির্ণয় হয় বলে মৃত্যুহার বেশি। কিন্তু সূচনায় চিহ্নিত করতে পারলে এ রোগ নিরাময় করা সম্ভব। প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী অক্টোবর মাস স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় এ বছরও পালিত হচ্ছে।

যেভাবে Breast Cancer নিজে নিজে চেক করবেন 

স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা

১. শল্য চিকিৎসা অর্থাৎ স্তন কেটে বাদ দেয়া অথবা স্তন এবং আরো কিছু অংশ বিশেষ অপারেশন করতে হয়।
২. রেডিওথেরাপি, বিশেষ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিকিরণ রশ্মি, যা ক্যান্সার কোষ মেরে ফেলে।
৩. কেমোথেরাপি ক্যান্সার বিধ্বংসী ওসুধ, স্তন ক্যান্সারে প্রাথমিক প্রতিরোধ: কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে আমরা কিছু স্তন ক্যান্সারকে প্রাতিরোধ করতে পারি।

ক. বিয়েশাদি এবং প্রথম সন্তান ৩০ বছরের আগেই সম্পন্ন করতে হবে।

খ. পরিমিত আহার ও হালকা ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীর হালকা-পাতলা রাখতে হবে।

গ. অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার কম করে খেতে হবে এবং শাকসবজি বেশি খেতে হবে।

ঘ. মদ্যপান থেকে বিরত থাকতে হবে।


ক্যান্সারমুক্ত জীবনের জন্য যা প্রয়োজন

স্তন ক্যান্সারকে যদি প্রাথমিক অবস্থায় ধরে ফেলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা করা যায় তাহলে বাদবাকি জীবন সুস্থ থাকা সম্ভব এবং এভাবেই আমরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্তন ক্যান্সারকে প্রতিহত করতে পারব। আমরা নিজেরা কিন্তু স্তন ক্যান্সার গোড়াতেই ধরে ফেলার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারি, যদি এ ব্যাপারে একটু সচেতন হই। নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করার অভ্যাস করতে হবে।

Why eat fruit in summer? What fruit do you eat?

Why eat fruit in summer? What fruit do you eat?


গরমে কি কি ফল আপনার শরীর ভাল রাখবে, তার একটি তালিকা দেয়া হল। এই ফলগুলো আপনার শরীর কে ঠাণ্ডা অ শীতল রেখে জোগাবে প্রয়োজনীয় পুষ্টি।

গরমে ভালো থাকা কি সহজ কথা! প্রকৃতপক্ষে আপনার প্রতিদিনের কর্মব্যস্ততায় কোনো রদবদল হয় না। সকালে ক্লাস কিংবা কর্মক্ষেত্রে যাওয়া থেকে শুরু করে বিকেলে বাসায় ফিরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো, কিছুই বাদ যায় না নিত্যকার রুটিন থেকে। অথচ সবকিছুতেই বিঘ্ন ঘটায় এই অসহনীয় গরম।

গরমের ফল




এরমধ্যেই কখনও যদি কোনো অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সেজেগুজে বের হতে হয়, তবে কিছুক্ষণ বাদেই তার দফারফা। এছাড়া গরমের নানা রকম অসুখ-বিসুখ তো আছেই। কিন্তু অসহ্য গরম বলে কি জীবন থামিয়ে রাখা যাবে। কখনো না। এজন্য প্রয়োজন গরমকে সঠিকভাবে মোকাবিলার কৌশল জানা। আসলে এ সময়ে তো আপনার চেষ্টা করতে হবে স্বস্তিতে থাকার। আর বেশি মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে মৌসুমি ফলসহ অন্যান্য ফল খান ও ঠাণ্ডা শরবত পান করুন।

তাজা ফল কেন খাবেন

গ্রীষ্মকালীন সময়ে বাজারজুড়ে থাকে শুধু ফল আর ফল। এ সময়কার ফলগুলো হলো তরমুজ, লিচু, আম, জাম, কাঁঠাল, আনারস, বেল, আখ, পানিফল, নাশপাতি ইত্যাদি। কলা, পেঁপে সারা বছরই পাওয়া যায়। গরমে প্রচুর ফল খান এবং দেহে সঞ্চয় করুন ভিটামিন ও খাদ্যশক্তি।

তরমুজ

গ্রীষ্মের শুরু থেকেই বাজারে এবং রাস্তার পাশে অনেক জায়গায় স্তূপ আকারে সাজানো থাকে তরমুজ। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তরমুজকে বলে ফলের রাজা। তরমুজে রয়েছে ত্বকে আর্দ্রতা জোগানোর অসীম ক্ষমতা। তরমুজ ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল। এতে রয়েছে ৯৭% জলীয় অংশ সে জন্য গরমে তরমুজ খাওয়া ভালো, কারণ ক্রমাগত ঘাম হওয়ার জন্য যে জলীয় অংশ শরীর থেকে বেরিয়ে যায়, এটা তা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এ ছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, হজমে সাহায্য করে ও কিডনির কাজকর্ম ঠিক রাখে।

কাঁঠাল

আরেকটি পুষ্টিকর ফল হলো কাঁঠাল। বাজারে প্রথমে কাঁচা কাঠাল ও পরে পাকা কাঁঠাল পাওয়া যায়। কাঁচা কাঁঠাল তরকারি হিসেবে উত্তম সবজি। পাকা কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর শর্করা, আমিষ, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। গ্রীষ্মকালীন সময়ে গ্রাম-বাংলার মানুষ ভাতের পরিপূরক হিসেবে পাকা কাঁঠাল খেয়ে থাকে, কাঁঠালের বিচিও খুব পুষ্টিকর। ফাইবার বা আঁশ কাঁঠালে বেশি থাকার কারণে কাঁঠাল খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। গ্রীষ্মকালীন ফলের মধ্যে লিচু আগে বাজারে ওঠে এবং এর জনপ্রিয়তা অনেক বেশি। খাদ্যমানের দিক থেকে লিচু একটি উত্কৃষ্ট ফল। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে শ্বেতসার, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। রূপে-গুণে লিচু সবার প্রিয় ফল।

আম

পাকা আম হলো ভিটামিন এ সমৃদ্ধ ফল। ১০০ গ্রাম আমে ১০০০-১৫০০ আইইউ ভিটামিন ‘এ’ থাকে, যার অভাবে অন্ধত্বসহ চোখের নানা রোগ, চুলপড়া, খসখসে চামড়া, হজমের সমস্যা ইত্যাদি দেখা যায়। এছাড়া আমে ভিটামিন বি ও সি, খনিজ লবণ, ক্যালসিয়াম ও প্রচুর খাদ্যশক্তি পাওয়া যায়। জাম শুধু পাওয়া যায় গরমকালেই। নানা রকম খনিজ পদার্থের মধ্যে জামে আয়রন থাকে সবচেয়ে বেশি। সে জন্য বলা হয় জাম খেলে রক্ত পরিষ্কার হয়। এ ছাড়া সর্দি-কাশি, হজমের গণ্ডগোল ও বাতের অসুখে জাম উপকারী। এ সময়কার আরেকটি সুস্বাদু ও ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল আনারস। সর্দি-কাশিতে আনারস খেলে শ্লেষ্মা ও মিউকাসকে তরল করে। ফলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

পাকা পেঁপে

ভিটামিন ‘এ’ সমৃদ্ধ ফল হলো পাকা পেঁপে। ১০০ গ্রাম ফলে ভিটামিন ‘এ’ থাকে ১১১০ ইউনিট। এ ছাড়া থাকে প্রচুর শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন বিওসি, খনিজ লবণ এবং খাদ্যশক্তি। কাঁচা পেঁপেও অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি। পেঁপের সাদা আঠায় প্যাপেইন নামক এনজাইম থাকে, যা প্রোটিন পরিপাকে সাহায্য করে। পেঁপে সহজপাচ্য। গরমে পেঁপে অথবা সিদ্ধ করা কাঁচা পেঁপে অবশ্যই খাবারের তালিকায় রাখবেন। বেল আরেকটি পুষ্টিকর ফল। এতে আছে প্রচুর শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ লবণ। গ্রীষ্মের কাঠফাটা দুপুরে ১ গ্লাস বেলের শরবত খেলে কার না প্রাণ জুড়ায়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বেলের জুড়ি নেই। গরমকালে পানিফল আরেকটি পুষ্টিকর ফল। এতে শতকরা ৪.৭ গ্রাম প্রোটিন পাওয়া যায় যা আপেল, আঙ্গুর, কলা ও পেয়ারা থেকে বেশি। এ ছাড়া রয়েছে শ্বেতসার, খনিজ লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন ইত্যাদি। খাদ্যশক্তি পাওয়া যায় ১১৫ কিলোক্যালরি। ছোট শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেই খেতে পারে অত্যন্ত পুষ্টিকর, দামে তুলনামূলকভাবে সস্তা, হাতের কাছেই পাওয়া যায় সারা বছরই ফলে এমন একটি ফল কলা। ১০০ গ্রাম কলায় থাকে ১৫৩ কিলোক্যালরি শক্তি, শর্করা ৩৫ ভাগ, খনিজ লবণের মধ্যে ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, ভিটামিন বি ও সি। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ১টি করে কলা আমাদের অবশ্যই রাখা উচিত।

এই গরমে একটু আধটু পরিশ্রমেই বড্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে শরীর। তাই তৃষ্ণা মেটাতে সঙ্গী করুন এমন সব ফল আর ফলের রস, যেটি ওষুধেরও কাজ করবে।

আপেলের রস

আপেলের রস মস্তিষ্কে অ্যাসিটাইলকোলিনের মাত্রা ঠিক রেখে আলঝেইমার থেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে। আমাদের মস্তিষ্কে গুরুত্বপূর্ণ একধরনের রাসায়নিক পদার্থ আছে, নাম অ্যাসিটাইলকোলিন। এটি মস্তিষ্কের স্মৃতি অংশের জন্য খুব দরকারি। কোনো কারণে যদি এটির মাত্রা কমে যায়, তাহলে সেই মানুষটি আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবে। অর্থাত্, মানুষটি তার ছোট ছোট স্মৃতি হারাবে। এ ক্ষেত্রে আপেলের রস হতে পারে সহজ সমাধান।

আনারসের রস

আনারস তৃষ্ণা তো মেটায়ই, বাড়তি হিসেবে আনারসে থাকে ব্রোমেলেইন নামের এমন একধরনের এনজাইম, যা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এজেন্ট হিসেবে কাজ করে শরীরে। এবং আর্থ্রাইটিসের জন্য হাড়ের সংযোগস্থলের ফোলা ভাব এবং ব্যথা কমিয়ে দেয় আনারস। এক গবেষণায় বলা হয়, যেসব রোগী হাঁটুর ব্যথায় (অস্থিয় আর্থ্রাইটিস) ভুগছেন, তাদের জন্য আনারস সত্যিকারের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ওষুধের বিকল্প হিসেবে কাজ করে।

কমলার রস

এখন বছরজুড়ে বাজারে পাওয়া যায় কমলা। কমলার রসে থাকে হেসপেরিডিন নামের একধরনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এটি হূদেরাগের ঝুঁকি কমায়। রক্তনালির কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এক গবেষণায় দেখা যায়, যারা দৈনিক ৫০০ এমএল কমলার রস খায়, তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রিত থাকে অন্য ব্যক্তিদের তুলনায় অনেক বেশি।

আঙুরের রস

আঙুরের রস সুস্বাদু তো বটেই, ওজন কমাতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। ওজন কমানোর জন্য শরীর সম্পর্কে সচেতন মানুষ কায়দা-কসরতের অন্ত রাখে না। শরীরচর্চা, আধপেটা খেয়ে থাকা—সবকিছুই চলে সমানে। কিন্তু যারা এতসব ঝক্কিতে যেতে চায় না, তাদের জন্য আছে এক সহজ সমাধান। আঙুরের রস হতে পারে তাদের জন্য একমাত্র ওষুধ।

এছাড়া আপনি প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় শসা, গাজর রাখতে পারেন। পাশাপাশি লেবুর শরবত, এবং কচি ডাবের পানি পান করতে পারেন। যা আপনার শরীর-মন দুটোকেই রাখবে সতেজ। আর ত্বকে ফিরে আসবে তারুণ্য আর লাবণ্য।

Female Dress For Summer.

Female Dress For Summer


গরমের সময় জামাকপড় খুব বেশী ফিটিংস না হয়ে একটু ঢিলেঢালা হলেই বরং ভালো হয়। যারা হাইনেক পরেন তারা এ গরমে একটু কলার ছাড়া বড় গলা পরে দেখতে পারেন। জামা ও ফতুয়ায় গোল, ভি, চার কোনা ও মেট্রো গলা বেশি চলে। গরমে পোশাকের হাতার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। মেগি, স্লিভলেস, শর্ট হাতার ব্যবহার চলছে। তবে সূর্যের বেগুনি রশ্মির কথা মাথায় রেখে অনেকে আবার থ্রি কোয়ার্টার হাতা দিয়েও কামিজ, ফতুয়া, ব্লাউজ তৈরি করছে।



গরমের কথা চিন্তা করে অনেকেই স্লিভলেস পোশাক পরে থাকেন। আবার অনেকে হাত কালো হওয়ার ভয়ে ফুল স্লিভ পরছেন। স্লিভলেস বেশ আরামদায়ক এবং ট্রেন্ডি হবে যদি বাসায় ফিরে হাতের যত্নের জন্য একটু সময় রাখেন। আর যারা ফুল স্লিভ পরবেন তারা অবশ্যই ঢিলেঢালা পরবেন। এতে গরম কম লাগবে। অথবা সিফন কাপড়ের ফুল স্লিভ পরতে পারেন।




গরমকালে সাদা রঙের পোশাকের জয়জয়কার সব সময়ই। গরমে সাদা ও অন্যান্য হালকা রঙের পোশাক আরামের পাশাপাশি চোখকে দেয় প্রশান্তি। হালকা গোলাপি, হালকা বেগুনি, হালকা নীল, বাদামি, আকাশি, হালকা হলুদ, ধূসরসহ হালকা রঙের পোশাক এই গরমে প্রাধান্য দিতে পারেন।




গরমে পোশাক বাছাই নিয়ে প্রায়ই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগতে হয় ফ্যাশনপ্রেমীদের। এই গরমে অবশ্যই কৃত্রিম সব পোশাক এড়িয়ে চলতে হবে। পাতলা সুতি কাপড়ের পোশাক পরলে একদিক থেকে যেমন গরম কম লাগবে, অন্যদিকে আরামও লাগবে। ফলে স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করা যাবে। পাতলা তাঁত ও খাদি কাপড়ের পোশাকও এ সময় পরা যায়। 




গরমের পোশাকটা হালকা ও আরামদায়ক হওয়াই ভালো। খেয়াল রাখতে হবে পোশাকটা যাতে তাপ শোষণ করে কম। তাই প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য সুতি কাপড়ই আরামদায়ক। তবে ধুপিয়ান, বয়েল, চিকেন ও তাঁতের কাপড় গরমের জন্য বেশ উপযোগী। কোনো উৎসব বা রাতের কোনো পার্টিতে পরতে পারেন লিলেন, মসলিন বা পাতলা চোষা কাতান।


রঙের ক্ষেত্রে সাদা হতে পারে আদর্শ রং। এছাড়াও গোলাপি, জলপাই সবুজ, আকাশি,  হালকা হলুদ, ঘিয়ে হালকা ম্যাজেন্টা এ রংগুলোর হালকা শেড গরমে উপযোগী। কালো বা গাঢ় রঙের পোশাক অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। তাই এ  রঙের কাপড় পরিধান না করাই ভালো।

পুরুষ অথবা শিশুদের পোশাকের রং হালকা ধাঁচের হওয়া উচিত। সাদা, ঘিয়ে, ধূসর, হালকা নীল, বাদামি, গাঢ় বাদামি, অফ হোয়াইটসহ সব রঙেরই কাপড় পাওয়া যায়। ছেলেদের পোশাকের ক্ষেত্রে গরমে প্রিন্টেড বা চেক কাপড়ের শার্ট আরামদায়ক। একটু ঢিলেঢালা শার্ট পরলে ঘামে কাপড় নষ্ট হবে না। হালকা রঙের কাপড় ব্যবহার করাই ভালো। যেমন সাদা, হালকা বেগুনি, প্রিন্টেড ফ্রেব্রিক ও লাইট চেক, একরঙা ব্যান্ড কলারের ফতুয়াও পরতে পারেন।

রঙচঙের পোশাক এবং কালো পোশাক এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। যথাসম্ভ হালকা রঙের কিংবা সাদা রঙের পোশাক পরা গরমের জন্য উত্তম।




গরমে শরীরে ঘাম জমে ছত্রাক সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। ঘাম শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে বিশেষ করে কুঁচকিতে, আঙুলের ফাঁকে ও জননাঙ্গে জমা হয়ে সেখানে ছত্রাক সংক্রমণের পথ বিস্তার করে দেয়। তাই এ সময়ে ছত্রাক সংক্রমণ এড়াতে হলে শরীরের ভাঁজগুলোতে ঘাম জমতে দেয়া যাবে না।

প্রয়োজনে ছত্রাকবিরোধী পাউডার এসব স্থানে ছড়িয়ে দেয়া যেতে পারে। প্রত্যেক দিন আন্ডারওয়্যার ও মোজা পরিষ্কার করতে হবে।

গরমে শরীরে ঘামাচি দেখা দিতে পারে। ঘামাচির চুলকানি রোধ করতে হলে অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি ঘামাচি থেকে পরিত্রাণের উপায় খুঁজতে হবে। ঘামাচি থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে কখনো সিনথেটিক পোশাক পরা চলবে না। সব সময় সুতির ঢিলা পোশাক পরতে হবে। শরীরে যাতে ঘাম না জমে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিকবার গোসল করা যেতে পারে। শরীরে ট্যালকম পাউডার বেশি না ঢালাই শ্রেয়। রাতে শোবার সময় শরীরে ঢিলে-ঢালা সুতির পোশাক পরে ঘুমানো ভালো।

গরমে আরাম পাওয়ার জন্য পোশাক নির্বাচনে প্রাধান্য দিতে হবে কাপড়ের ধরন, রং ও ডিজাইনকে। সুতি কাপড় সহজেই ঘাম শুষে নেয় এবং পরতেও আরামদায়ক। মেয়েরা চাইলে সুতির পাশাপাশি অ্যান্ডি, শিফন, কটন, কোটা, ধুপিয়ান, লিলেনের পোশাক নির্বাচন করতে পারেন। সুতির ওপর ব্লকপ্রিন্ট, এমব্রয়ডারি, স্ক্রিন প্রিন্ট ও হালকা সুতার কাজ পোশাকে আনতে পারে বৈচিত্র্য।

পোশাকের ক্ষেত্রে নিজের সঙ্গে মানানসই এমন রং বেছে নেওয়া ভালো। কালো রংকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। কারণ, গ্রীষ্মে রোদের তীব্রতা অনেক বেশি থাকে। আর কালো রঙের পোশাক সূর্যের তাপ বেশি শোষণ করে। ফলে এ রঙের পোশাক পরলে বেশি গরম লাগবে।

8 ways to stay warm.

গরমে ভাল থাকার ৮ উপায়. Health Tips

গরমে চলতে-ফিরতে আমরা কম-বেশি সবাই শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ি। পরিমিত ও বিশুদ্ধ পানি পান, বাসি-পচা খাবার গ্রহণ না করা, কড়া রোদ এড়িয়ে চলাসহ কিছু নিয়ম সচেতনভাবে মেনে চললে এসব সমস্যা থেকে সহজেই পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। এই প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বৃদ্ধের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া উচিত।



গরমে যেভাবে সুস্থ থাকবেন 

গরম মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। গবেষণায় দেখা গেছে, গরমের সময় মানুষের স্বাস্থ্য সমস্যা বেশি দেখা দেয়। তাই এ সময়ে সতর্ক হয়ে না চললে যেকোনো সময়ই আপনি অসুস্থ হতে পারেন। গরমে সাধারণত যেসব স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, ডায়রিয়া, ঘামাচি, হাম, গরমজনিত সর্দি-কাশি, প্রস্রাবে সংক্রমণ ইত্যাদি।

হিট স্ট্রোক

প্রচণ্ড গরমে ও আর্দ্রতায় যে কারও শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে হিট স্ট্রোক নামক জটিলতা হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা যখন ১০৪ ফারেনহাইট ক্রস করে, তখনই হিট স্ট্রোক হতে পারে। হিট স্ট্রোক এক প্রকার মেডিকেল ইমার্জেন্সি, যেখানে সঙ্গে সঙ্গে রোগীকে চিকিৎসা না দেওয়া হলে রোগী মৃত্যুবরণ করতে পারে। এর লক্ষণ হলো ঘাম না বের হওয়া, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, শুষ্ক হওয়া, হঠাৎ মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি ভাব, অস্থিরতা, নিশ্বাস নিতে সমস্যা, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যাওয়া এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকা। ছোট বাচ্চা, বয়স্ক লোক, ব্যায়ামবীর বা দিনমজুরদের হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি। শিশু ও বৃদ্ধদের তাপনিয়ন্ত্রণক্ষমতা কম থাকায় হিট স্ট্রোকের আশঙ্কা বেড়ে যায়। বয়স্ক ব্যক্তিরা প্রায়ই অন্যান্য রোগে ভুগে থাকেন কিংবা নানা ওষুধ সেবন করেন, যা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

হিট স্ট্রোকে প্রাথমিক চিকিৎসা

আক্রান্ত লোকটিকে ছায়াযুক্ত একটি জায়গায় নিয়ে আসতে হবে, ভারী কাপড় খুলে দিয়ে গায়ে ঠান্ডা পানি ঢালতে হবে। তাকে সম্ভব হলে ফ্যানের নিচে বা এসি রুমে নেওয়া ভালো। এতে গায়ের ঘাম উড়ে যাবে। সম্ভব হলে তার বগল ও রানের খাঁজে বরফ দিতে হবে।

যদি আক্রান্ত লোকটি পানি পানের মতো অবস্থায় থাকে, তাহলে তাকে ঠান্ডা পানি বা পানীয় পান করতে দিন। থার্মোমিটারে শরীরের তাপমাত্রা ১০১-১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটে আসা না পর্যন্ত ঠান্ডা করা চালিয়ে যেতে হবে।

হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ

গরমের সময় শরীরকে পানিশূন্য হতে না দেওয়া। শরীরে পানির পরিমাণ স্বাভাবিক রাখতে প্রচুর পরিমাণ পানি, ডাবের পানি, মুখে খাওয়ার স্যালাইন পান করা।

বেশি গরমের সময় ব্যায়াম বা ভারী কায়িক পরিশ্রম না করা।

গরমে বাইরে বের হলে সাদা বা হালকা রঙের কাপড় পরে বাইরে বের হওয়া।

ঘামের সঙ্গে শরীরের লবণ বেরিয়ে যায়, তাই দুর্বল লাগলে খাওয়ার স্যালাইন খাওয়া।

পানিশূন্যতা

এই গরমে ঘামে শরীর থেকে প্রচুর লবণ-পানি বের হয়ে যায় বলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। সাধারণত এর ফলে শরীরের রক্তচাপ কমে যায়, দুর্বল লাগে, মাথা ঝিমঝিম করে। পানিস্বল্পতা গরমের খুবই সাধারণ সমস্যা হলেও অবহেলা করলে তা মারাত্মক হয়ে যেতে পারে। এ সময়ে শরীরের কোষ সজীব রাখতে প্রচুর পানি খেতে হবে। লবণের অভাব পূরণ করতে খাওয়ার স্যালাইন খাওয়া যেতে পারে। শরীরে পানি কম হলে প্রস্রাব হলুদ ও পরিমাণে কম হবে এবং জ্বালাপোড়া বা প্রস্রাবের সংক্রমণ হতে পারে। যে পর্যন্ত না প্রস্রাব স্বাভাবিক রং ফিরে পাবে, সে পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি খেয়ে যেতে হবে। পানির সঙ্গে অন্যান্য তরল যেমন ফলের রস খাওয়া যেতে পারে। ভাজা-পোড়া, অধিক তেল, মসলাজাতীয় খাবার একদমই এড়িয়ে যেতে হবে। সাধারণ খাবার যেমন ভাত, সবজি, মাছ ইত্যাদি খাওয়াই ভালো। খাবার যেন টাটকা হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। চা ও কফি যথাসম্ভব কম পান করা উচিত।

ত্বকের সমস্যা



প্রখর রোদে ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ সময়ে খোলা আকাশের নিচে হাঁটাচলা বেশি হলে সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি ত্বক ভেদ করে কোষের জন্য বিপদ ডেকে আনে। ত্বকে ফোসকা পড়াসহ ত্বক বিবর্ণ হতে পারে। তাই এ সময়ে বাইরে বেরোলে অবশ্যই সানস্ক্রিন ক্রিম ত্বকে মেখে বের হতে হবে। এ সময়ে চোখে সানগ্লাস পরতে হবে। ছাতা ব্যবহার অবশ্যই করতে হবে। যথাসম্ভব হালকা রঙের কিংবা সাদা রঙের পোশাক পরা গরমের জন্য উত্তম।

ঘামাচি নামক যন্ত্রণাদায়ক ব্যাপার হতে পারে। অনেক সময় চুলকাতে থাকে বলে ত্বকে ঘা দেখা দেয়। এ জন্য প্রয়োজন শরীরে যাতে ঘাম ও ধুলোবালি না জমে সেদিকে লক্ষ রাখা। ঘামাচি থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে কখনো সিনথেটিক পোশাক পরা চলবে না। সব সময় সুতির ঢিলা পোশাক পরতে হবে। শরীরে যাতে ঘাম না জমে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করতে হবে। প্রয়োজনে একাধিকবার গোসল করা যেতে পারে।

ডায়রিয়া

গরম এলেই ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ে। দুই বছরের নিচে শিশুদের ডায়রিয়ার প্রধান কারণ হলো, রোটা ভাইরাসজনিত সংক্রমণ। চারদিকে ভয়াবহ গরমে যখন গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়, ঠিক এই সময় চোখের সামনে যে ঠান্ডা পানীয় পাক না কেন, তা দিয়ে গলা ভেজানোতেই মন অস্থির হয়ে যায়। দেখার সময় থাকে না, তা বিশুদ্ধ বা দূষিত কি না। এভাবে এই খাদ্য ও পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে অনেকে। রাস্তাঘাটের অধিকাংশ খাবার দূষিত থাকে, তাই গরমে এই দূষিত খাবার খেয়েই অনেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকে। একটু সচেতন হলে এটি এড়ানো যায়। এই যেমন হাত পরিষ্কার করে খাবার খেলে। বাসি, পচা খাবার না খেলে।

সর্দিজ্বর

শিশুদের নিয়ে খুব রোদে ঘোরাঘুরি করলে বাইরের তাপ ও শরীরের তাপের মধ্যে সমতা থাকে না বলে জ্বর হতে পারে। এ জন্য কড়া রোদে তাদের চলাফেরা করতে না দেওয়াই ভালো। জ্বর হলে শরীরে সঞ্চিত শর্করা বেশি হারে খরচ হতে থাকে। এ সময় শরীর থেকে প্রচুর পানি, ঘাম ও প্রস্রাব বেরিয়ে যায়। এ অবস্থায় শিশুকে ফলের রস দিলে খাবারের রুচি বাড়বে এবং স্যুপ খাওয়ালে ক্ষুধা বাড়বে। ফলে শিশুরা খেতে আগ্রহী হবে।

ছত্রাক সংক্রমণ

গরমে শরীরে ঘাম জমে ছত্রাক সংক্রমণ দেখা দিতে পারে। ঘাম শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে বিশেষ করে কুঁচকিতে, আঙুলের ফাঁকে ও জননাঙ্গে জমা হয়ে সেখানে ছত্রাক সংক্রমণের পথ বিস্তার করে দেয়। তাই এ সময়ে ছত্রাক সংক্রমণ এড়াতে হলে শরীরের ভাঁজগুলোতে ঘাম জমতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে ছত্রাকবিরোধী পাউডার এসব স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে।

The rules that will stay healthy in summer.

গ্রীষ্মে সুস্থ থাকবেন এমন নিয়ম

The rules that will stay healthy in summer.

গ্রীষ্মের রোদ্দুরে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে পুরুষদের চেয়ে নারীরা বেশি অস্বস্তিতে ভুগে থাকেন। কারণ একজন পুরুষ যত্রতত্র গরমে বদলাতে পারেন তার দেহের পোশাক, কিন্তু নারীরা পারেন না। এ ছাড়া নারীদের শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার কারণে গরম অনভূত হয় বেশি।



চল্লিশোর্ধ নারীদের রজঃনিবৃত্তির পরবর্তী সিনড্রোমে এমনিতেই উসকে দেয় যেন আরো। যেসব নারী গর্ভনিরোধক বড়ি খেয়ে থাকেন, গরমে তাদের অসহ্যতাও বেড়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের সাজগোজের কারণে শরীরে বাতাস ঢুকতে বাধা পায়, এতে গরম বেশি লাগে। গরমে অসুস্থতার হার বেড়ে যায় খুব। মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, মাথা ঝিম ঝিম করা, বমি বমি ভাব, বমি ও দুর্বলতা বিভিন্ন উপসর্গ লেগেই থাকে। কারো কারো গরমে ঘাম বসে গিয়ে কাশি হয় খুব। তাই গরম থেকে রেহাই পেতে কী করণীয় নারীদের।


যত কম প্রসাধন মাখুন



প্রসাধনে শরীরের লোমকূপ আটকে যায় বলে বাতাস ঢুকতে অসুবিধা হয়। তা ছাড়া শরীরের ঘামও বাতাসের সংস্পর্শে বেরিয়ে আসতে পারে না। কোনো কোনো প্রসাধনীতে তৈলাক্ত উপাদান থাকে বলে সেটা কারো ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেয়। একমাত্র সানস্ক্রিন ক্রিম ছাড়া আর কিছু না মাখাই শ্রেয়। তবে সানস্ক্রিন ক্রিম শুধু মুখে নয়, শরীরের উন্মুক্ত স্থানগুলোতেও মাখতে হবে। কড়া পারফিউম ব্যবহার করা যাবে না। হালকা করে পাউডারের প্রলেপ দিতে পারেন।

বেশি করে সালাদ খান



সালাদ ঠাণ্ডা রাখে শরীরটাকে। দুঃসহ গরমে বেশি করে সালাদ খান। চর্বিজাতীয় খাবার এসময়ে খাবেন না। বিভিন্ন ধরনের সবজি খাবেন। যেসব নারীর শরীরে মেদ জমে আছে, এই গরমে তাদের ক্ষেত্রে মেদ কমানোর উপযুক্ত সময়। খাবারের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আসুন এ সময়ে। কম খান।

বেশি খেলে পরিশ্রম হয় বেশি। তা ছাড়া বেশি খেলে জমতে থাকে মেদের স্তূপ। কিন্তু সালাদ বেশি খেলে ক্ষতি নেই। বরং ভালো। গরম মোকাবেলার পাশাপাশি আপনার শরীরের মেদও কমিয়ে দিতে পারে সালাদ।

বেশি করে পানি খান




গরমের হাত থেকে রেহাই পেতে পানির বিকল্প নেই। হাতের কাছে সব সময় পানির পট রাখবেন। প্রচুর পানি খাবেন এ সময়। তৃষ্ণা না পেলেও খাবেন। ঠাণ্ডা থাকবে শরীর। প্রয়োজনে ফ্রিজে রাখা পানি খান। এক চুমুক ঠাণ্ডা পানি আপনার শরীরে বইয়ে দেবে চমত্কার শীতল অনুভূতি। মাঝে মাঝে হাত দিয়ে মুখমণ্ডলে ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দেবেন। ভালো লাগবে।


সুতির কাপড় পড়ুন

গরমে সিনথেটিক কাপড় পরবেন না। বাসায় সুতির ম্যাক্সি পরে থাকুন। কখনো টাইট পোশাক পরবেন না। সাদা পোশাক পরুন। অন্তর্বাসগুলোও যেন সুতির হয়। সিনথেটিক এবং টাইট পোশাকে শরীরে জমে উঠবে ঘাম। শরীরের ভাঁজে ভাঁজে ঘাম জমা হয়ে সৃষ্টি হবে চুলকানিসহ বিভিন্ন চর্মরোগ। সেই সাথে গরমে অসহ্যতা তো আছেই। সে ভয় নেই সুতির সাদা কাপড়ে। সুতির দুধা পোশাক আপনাকে ঠাণ্ডা রাখবে।



লেবুর শরবত খান



গরমে লেবুর শরবত হতে পারে আপনার স্বাস্থ্যের জন্য এক চমৎকার পানীয়। শরবতে একটু লবণ ও চিনি মিশিয়ে নিন। চিনি শক্তি জোগাবে, আর লবণ পূরণ করবে আপনার শরীর থেকে ঘামের সাথে বেরিয়ে যাওয়া লবণের অভাবটুকু। লেবুতে থাকে ভিটামিন সি। এই গরমে ভিটামিন সি ফিরিয়ে দেবে আপনার লাবণ্যতা।


ঘরটাকে ঠাণ্ডা রাখুন



লোডশেডিংয়ের ঝামেলায় দুঃসহ গরমে আপনার ঘর ঠাণ্ডা রাখার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে হবে। দরজা-জানালায় সাদা রঙের পর্দা টানান, যাতে বাইরে থেকে ঢুকতে না পারে সূর্যের তীব্র আলো। মেঝেতে ঠাণ্ডা পানি ঢালুন। পর্দাগুলোও ভিজিয়ে দিন পানি দিয়ে। আপনার ঘরের মাথার ছাদেও পানি ঢালার ব্যবস্থা করুন। ছাদের ওপরে ছাদজুড়ে শামিয়ানা টানিয়ে নিন।


চুল ড্রাই করবেন না



গরমে চুল ড্রাই করবেন না। তাতে গরম বেশি লাগবে, এমনকি তেলও মাখবেন না। শ্যাম্পু করুন নিয়মিত, ঝরঝরে লাগবে নিজেকে। প্রতিদিন গোসল করুন কয়েকবার। চুলগুলো ছড়িয়ে রাখুন। তাতে বাতাস লাগবে মাথায়। মাঝে মাঝে কলার মোচার মতো করে খোঁপা করুন, যাতে ঘাড় ও কাঁধে বাতাস লাগতে পারে। তবে খোঁপা করে বেশিক্ষণ রাখবেন না। বেশিক্ষণ খোঁপা করে রাখলে টাইট চুলের ফাঁক দিয়ে মাথার ত্বকে বাতাস পৌঁছতে পারবে না।

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
সহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকস ও ট্রমাটোলজি বিভাগ, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।
চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ২ ইংলিশ রোড, ঢাকা

Do you know? Why is Breast changes During Pregnancy?

Why is Breast changes During Pregnancy.


Sore nipples during pregnancy is something many women experience. Whether they’re dry, cracked, and itchy all the time, or the feeling comes and goes throughout your pregnancy, nipple pain and sensitivity can be an uncomfortable pregnancy symptom.

What causes sore nipples during pregnancy?


Why is Breast changes During Pregnancy.


One of the reasons you may experience tender, sensitive nipples during pregnancy is the increased estrogen and progesterone now moving through your body.

Your breasts are also growing and changing as they prepare to feed your baby. This increased blood flow and fat content developing in your breasts is an important part of this preparation, as are expanding milk ducts. All these changes may also be causing your sore breasts and tender nipples.

Painful nipples are most commonly referred to as an early pregnancy symptom; however, women can experience tender nipples any time during their pregnancy.

Sore nipples are not a gender indicator. They can be a pregnancy symptom whether you’re carrying a boy or girl.


Treatment options and remedies

Depending on your situation, there are several simple remedies you can use to help relieve sore nipples during pregnancy.

Invest in a new bra. If your bra is undersized or even made of synthetic material it may be irritating your sensitive nipples. Try a larger size and/or one made of cotton to help.

Wear a bra to bed. While this may seem like no fun, they do make nighttime nursing bras that are fairly comfortable. For some women wearing one of these bras to bed has been the perfect cure.

Hop in a hot shower. A nice hot shower can be very soothing for extremely sore nipples. Another option is applying hot towels or a hot water bottle to your breasts for a few minutes on each side.

Use a nipple cream. Applying a nipple cream can treat and moisturize swollen breasts and tender nipples during pregnancy while also preparing them for their big job ahead.


Should you use a nipple cream during pregnancy?

Although most women think nipple creams are usually used only during breastfeeding, they can be a welcome treatment for sore, dry nipples whether you’re in the first trimester of your pregnancy, your last, or anywhere in between. Nipple creams, unlike regular lotions, are formulated specifically for nipples.

Many nipple creams incorporate chamomile and calendar. These herbs are natural, safe for sensitive skin (like nipples), and great for reducing inflammation (Find out what herbs to avoid during pregnancy)

Other nipple creams use lanolin as their primary ingredient. While lanolin is excellent at healing dry cracked skin fast, some moms do avoid it because it’s a highly refined animal product (made from sheep wool).

In addition to these common nipple cream ingredients look for cocoa butter, shea butter, and olive oil. They all offer intensive moisturizing properties to soothe the soreness that comes from swelling and cracking of the skin.


Top 5 nipple creams

If you’re experiencing sore nipples during your pregnancy, here are the top 5 nipple creams women are currently using:


1. LANSINOH


Lansinoh is the most trusted name in lanolin-based nipple creams. In fact, the only ingredient in this nipple cream is lanolin. No fragrances, preservatives, or additives of any kind. Women who use Lansinoh also say they chose it because it’s affordable and works really fast.

2. MEDELA TENDER CARE LANOLIN

Another highly recommended lanolin-based nipple cream, Medela Tender Care Lanolin, is a close second to Lansinoh. The main differences between this and Lansinoh are that Medela Tender Care Lanolin offers a smoother consistency that many women feel is more soothing to already sore nipples, and Medela Tender Care Lanolin contains more ingredients than Lansinoh (including Caprylic/Capric Triglycerides, Oat Beta Glucan).

3. MOTHERLOVE NIPPLE CREAM

With a 0 (excellent!) rating on EWGs Skin Deep database, Motherlove Nipple Cream is the formula to beat when it comes to a safe treatment for sore nipples. This cream is super effective and includes 100% organic olive oil, shea butter, and calendula to sooth and moisturize dry, cracked, sensitive nipples.

4. MILKIES NIPPLE NURTURE BALM

Milkies Nipple Nurture Balm is another highly recommended natural nipple cream for use during pregnancy and breastfeeding. It incorporates herbs like self heal, calendula, and marshmallow root with olive oil to soothe, heal and protect.

5. BELLA B NIPPLE NURTURE BUTTER


The Bella B Nipple Nurture Butter is a nice option if you’d like a non-lanolin nipple cream with a thicker consistency than the two above. It includes shea butter, cocoa butter, and avocado oil for a healing remedy that sore nipples respond to quickly. It isn’t 100% organic but it’s still on the top of the nipple cream list for many moms because it works so well.


All of these products work most effectively when applied as directed at the first sign of pain or sensitivity. They can all be used after your baby is born as well to help soothe and protect your nipples as they get used to nursing your baby.

Be sure to consult your health care professional before you use these or other nipple creams if you encounter sore nipples during pregnancy.

If you enjoyed this article read our other articles:


What to do to avoid accidents in the use of electronic devices on the plane? Check.

বিমানে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে দুর্ঘটনা এড়াতে কী করবেন? জেনে নিন।



এক তরুণী বিমানে করে মেলবোর্ন যাচ্ছিলেন। বিমানে সফরের সময় ব্যাটারিচালিত হেডফোন কানে গুঁজে গান শুনছিলেন। হঠাত্ই সেটা বিস্ফোরণ হয়। তরুণীর মুখ ও হাত পুড়ে যায়।

কিছু মাস আগের ঘটনা। হেডফোন বিস্ফোরণের কারণ অবশ্য জানা যায়নি। তবে এ ধরণের ঘটনা যে কারও সঙ্গে ঘটতে পারে। বিমানে উঠে অনেকেই হেডফোনে গান শোনেন, ট্যাবে গেম খেলেন, ভিডিও দেখেন। ফলে ওই তরুণীর মতো দুর্ঘটনার একটা প্রবল সম্ভাবনা থেকে যায় বলাই বাহুল্য।

তবে এ ধরনের ঘটনার শিকার যাতে না হতে হয়, তার জন্য কয়েকটি বিষয়ে আগাম সতর্ক থাকলেই হবে। সেগুলো কী একটু জেনে নেওয়া যাক।


Eat vegetables to stay healthy. But it is not half Boyle.

সুস্থ থাকার জন্য ডিম খান। কিন্তু হাফ বয়েল নয়।



ডিম খেতে অনেকেই ভালবাসেন। কিন্তু যে জিনিস খেতে ভাল লাগে, তাতেই বিপত্তি। ডিমের বেলায়ও তাই। কোলেস্টেরলের ভয়ে রোজকার ডিম খাওয়া থেকে অনেকেই বিরত থাকেন। আর গরমের দিনে ডিম খাওয়া মানেই পেট গরম হওয়া। সুতরাং ইচ্ছে থাকলেও ডিম খাওয়া যায় না। খেলেও বড়জোর ডিমের সাদা অংশ।
ক্লিনিক্যাল ডায়েটেশিয়ান অর্পিতা দেব ঘোষ জানাচ্ছেন, এ সব ভয় একেবারেই অমূলক। সব থেকে ভাল প্রোটিনের উতস ডিম। এতে ৯ টি প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড সঠিক মাত্রায় থাকে।
ডিমের সাদা অংশে অ্যালবুমিন নামের প্রোটিনটি ভাল মতো থাকে। নিয়মিত মাছ-মাংস না খেলে অবশ্যই ডিম খাওয়া দরকার।

কম তেলে ডিম রান্না করা যায়। যেটা মাছ-মাংসের ক্ষেত্রে হয় না। দরকারে সেদ্ধও খাওয়া যায়।
হজম হয় না বলে ডিমের যে বদনাম আছে, তা মোটেই ঠিক নয়। ডিম ঝটপট হজম হয়ে যায়।

ডিমের কুসুমে কোলেস্টেরল (১৫০-২০০ মিগ্রা) যথেষ্ট থাকলেও ভয় নেই। কারণ সেই কোলেস্টেরল রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রাকে বাড়ায় না। উল্টে ডিমের লেসিথিন নামের যৌগটি কোলেস্টেরলকে কোষে নিয়ে গিয়ে শক্তি তৈরি করে। সুতরাং শক্তির উতসও বটে ডিম

সুস্থ মুরগির ডিম চেনার উপাই

তবে কি ডিমের সব ভাল?

ডিমের একটাই দোষ। ডিমের খোলায় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। ডিম বেরোয় পাখির মল বেরোনোর রাস্তা দিয়ে। সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়া ছিদ্র মাধ্যমে ঢুকে পড়ে ডিমে। তাই ডিম কখনওই কাঁচা বা অর্ধসেদ্ধ খাওয়া উচিত নয়। খেলে সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন হয়ে পেটের গণ্ডগোল হয়। বিশেষ করে বর্ষাকাল বা গরম কালে।

মুরগির ডিম বা হাঁসের ডিম দুটোই খাওয়া যায়। কিন্তু হাঁসের ডিম খাওয়ার সময় সেটি হার্ড বয়েল (অন্তত আধ ঘণ্টা সেদ্ধ) করে খাওয়া দরকার।